সাবধান! আপনি কি মুরগি ধুয়ে রান্না করেন?‎? সাবধান হন আজই।

0
459

মুরগি রান্না করার আগে ভাল করে ধুয়ে নেয়া উচিত। এটাই তো বলে আমাদের কমনসেন্স, তাই না? কারণ, কাঁচা মুরগির মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তবে জানেন কি অন্য কথা বলছেন ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির গবেষকরা। তারা জানাচ্ছেন, ধোয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়া আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা শরীরের জন্য হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকারক।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুড পয়জনিং-এর অন্যতম কারণ ক্যাম্পিলোব্যাকটর ও সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া। কাঁচা মুরগিতে এই দু’প্রকার ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিই লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের খাদ্যনালীতে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া থাকে।
এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গেলে ডায়রিয়া, জ্বর, পেট ব্যথা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোখা সহজ হলেও ক্যাম্পিলোব্যাকটর অনেক বেশি ক্ষতিকারক। শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে এই ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বরং মুরগির মধ্যে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কীভাবে এড়াবেন ফুড পয়জনিং?
ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী, চিকেন জীবাণুমুক্ত করার একমাত্র ভাল করা রান্না করা। পরিষ্কার সুসিদ্ধ চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং-এর ঝুঁকি থাকে না। রান্না করার সময় চিকেনের সবচেয়ে মোটা টুকরো কেটে দেখুন ভিতর থেকে ভাল করে গরম হয়ে সুসিদ্ধ হয়েছে কিনা। কোনোভাবেই যেন লালচে ভাব না থাকে।মুরগি সব সময় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে রাখুন। এর বেশি তাপমাত্রায় মুরগিতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে।

আরো পড়ুন

১০ মিনিট ঘরে তেজপাতা পোড়ালে কী হয়?? জানলে আপনিও প্রতিদিন করবেন !!

শিরোনাম পড়ে নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে, এ কী আজব কথা! স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আবার তেজপাতাও পোড়াতে হবে নাকি? আরো কত কী যে শুনব? মজার বিষয়ই বটে! তবে আপনি কি জানেন, শতাব্দী ধরে তেজপাতা নিরাময়কারী এবং স্বাস্থ্যকর ভেষজ পাতা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে?

 কেবল তেজপাতা খেলে বা ব্যবহার করলেই নয়, পোড়ালেও কিন্তু অনেক উপকার পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড ট্রিকসে জানা গেল এই তথ্য।

একটি ছাইদানিতে কয়েকটি তেজপাতা নিয়ে ১০ মিনিট ধরে পোড়ান। এতে পাতা পুড়বে, পুড়বে এর মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েলও। ধীরে ধীরে দেখবেন ঘরে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে গন্ধ মনকে সজীব করে দেবে। এটি মন ও শরীরকে প্রশমিত করতে সাহায্য করবে। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমবে।

প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা তেজপাতাকে পবিত্র ওষুধ বলত। বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে একে ব্যবহার করা হতো। সারা পৃথিবীতে অনেকেই এই পাতাকে মসলা হিসেবে ব্যবহার করেন। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এবং সুগন্ধ আনতে এর ব্যবহার করা হয়।

তেজপাতার মধ্যে রয়েছে পিনেনে ও সাইনিয়ল নামে দুটি উপাদান। রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েল। এর মধ্যে রয়েছে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থ। তেজপাতা চিবালে এসব পদার্থ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক, ডিওরেটিক, স্যাডেটিভ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি মেজাজকে ভালো করে। তেজপাতা পাকস্থলীর ফ্লু নিরাময়েও সাহায্য করে।

তেজপাতার মধ্যে আরো রয়েছে অ্যান্টিরিউম্যাটিক উপাদান। তেজপাতার এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথাব্যথা কমে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here