১৪ বছর বয়স থেকেই আমাকে এসব অত্যাচার সহ্য করতে হতো !! অত্যাচারী আর কেউ নয়,,আমার নিজের…(ভিডিওসহ)

0
306

১৪ বছর বয়স থেকেই আমাকে এসব অত্যাচার সহ্য করতে হতো !! অত্যাচারী আর কেউ নয়,,আমার নিজের…(ভিডিওসহ)

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

ভিডিওতে দেখুনঃ আমাদের চোখের আরালে ঘটে যাওয়া এমনই কিছু ঘটনা রয়ে যায় যা কিনা ক্যামেরায় ধরা না পড়লে বিশ্বাসই করতাম না। মিডিয়া হলো সমাজের দর্পন। প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে যা ঘটে চলে তাই পর্দায় তুলে ধরা হলো মিডিয়ার কাজ।

পর্দার আড়ালেও আমাদের সমাজে ঘটে অনেকঘটনা যা আমাদের চোক্ষগোচর হয় না। সমাজের  অনেক কালো অধ্যায় যা লোকচক্ষুর অন্তরালেই থেকে যায়। যা মিডিয়া আমাদের সামনে তুলে আনে।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।আপনি যদি লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করেন তাহলে ফেইসবুকের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পোষ্টগুলো আপনার কাছে পৌঁছাবে না। তাই আমাদের পোস্ট গুলো আপনার ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

ভিডিওটি দেখুন নিচে………

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুন

বয়স ১৪ তবুও প্রতিদিন পুরুষের সঙ্গে আমাকে দিনের পর দিন

যে গল্পটি লিখছি , জীবন থেকে নেয়া গল্প এটি । রংপুর মেডিকেল কলেজের এক বড় আপু আমাদের পেজে মেসেজ করে তার জীবনে ঘটে যাওয়া এক কালবৈশাখী ঝড়ের কথা আমাকে জানিয়েছেন এবং অনুরোধ করেছেন , আমি যাতে সেই ঘটনা নিয়ে একটা গল্প লিখে আমাদের এই পেজে পোষ্ট করি ।

আপুর ঘটনা পড়ে আমি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম । এইরকম অসংখ্য ঘটনা আমাদের সমাজে হরহামেশাই ঘটছে কিন্তু সেগুলো থেকে যায় লোকচক্ষুর অন্তরালে । চলুন পড়ে নেয়া যাক , কি ঘটেছিলো সেই আপুর জীবনে । মনুষ্যত্বহীন নির্লজ্জ এক প্রতারকের প্রেম নামক অভিনয় শুধু সেই আপুর জীবনই তছনছ করে নি , এলোমেলো করেছে তৃতীয় আরেকজনের জীবনও।

গল্পের প্রয়োজনে ধরে নেয়া যাক সেই আপুর নাম অনাহিতা।

রংপুর মেডিকেলে ফোর্থ ইয়ারে পড়ত অনাহিতা ইয়াসমিন । হাসিখুশি এই মেয়েটার দিন কেটে যেত ক্লাস করে , বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করে , বান্ধবীদের সাথে শপিং করে আর পড়ন্ত বিকেলে হোস্টেলের ছাদে বসে সুনীলের কবিতা পড়ে । অনাহিতার প্রিয় কবির নাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় । নিজেকে সুনীলের নায়িকা নীরা ভেবে কবিতার সরোবরে ডুবে যেত সে ……… কবিতা পড়তে পড়তে কখন যে চারপাশে হুট করে সন্ধ্যা নেমে যেত , অনাহিতা কখনো বুঝতে পারত না । পাখিরা কিচিরমিচির করতে করতে নীড়ে ফিরে যেত আর নিজের কল্পনার বায়োস্কপে নীরার প্রতিচ্ছবি দেখতে দেখতে ছাদের সিঁড়ি বেয়ে নামত অনাহিতা ।

অনাহিতা হোস্টেলের চারতলার ৩০৫ নম্বর রুমে থাকত । দীপ্তি , সুমনা আর সাদিয়া নামের মেয়ে তিনটা তার রুমমেট । মেডিক্যালে একই ক্লাসে পড়ত তারা । গ্রুপ স্টাডি করে , হইহুল্লোর করে , এটা সেটা রান্না-বান্না করে , একজন আরেকজনের উকুন মেরে চার রুমমেটের দিন বেশ ভালোই কেটে যাচ্ছিল ।

রাত বারোটা বেজে যাওয়ার পর রুমের লাইট অফ করে চার বান্ধবী বিছানায় চলে যেত । কিন্তু সাথে সাথেই তারা ঘুমিয়ে পড়ত না । অনাহিতা ছাড়া বাকি তিনজন অনেক রাত পর্যন্ত তাদের বয়ফ্রেন্ডের সাথে মোবাইলে গল্প করত । এতই আস্তে গল্প করত যে তাদের এক হাত দূরে বসেও বোঝা যেত না তারা কি বলছে !

তিন বান্ধবীকে দিনের পর দিন এভাবে প্রেম করতে দেখে অনাহিতারও ইচ্ছে করত মেঘেররাজ্যের কোন এক অচেনা রাজকুমারের সাথে প্রেমের আকাশে ডানা মেলে উড়তে ।

অনাহিতারও ইচ্ছে করত , জ্যোৎস্নাস্নাত কোন গভীর রাতে জানালার পাশে বসে মোবাইল ফোনে ভীষণ রোমান্টিক কোন রহস্যময় মানবের ভরাট কণ্ঠ থেকে সুনীলের প্রেমের কবিতা শুনতে !

ক্লাসের কতো মেয়ে নিজ ক্লাসমেটদের সাথেই এনগেজড হয়ে গেল ! অথচ অনাহিতা পারলো না পছন্দের কোন ছেলের সাথে নিজের সম্পর্কটাকে ফ্রেন্ডশিপ থেকে প্রেমের পর্যায়ে নিতে ।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here