দশ বছরের বড় বৌদিকে ঘরে তুললো নবম শ্রেণির ছাত্র! অতঃপর রাতে…

0
346

কিন্তু প্রশ্ন কেন দশ বছরের বড় বিধবা বৌদির সঙ্গে পনেরো বছরের ছেলের বিয়ে দেওয়া হল? এর নেপথ্যেও উঠে এসেছে মর্মান্তিক ঘটনা।

বাড়ি ভর্তি আত্মীয়দের ভিড়। বাইরে সানাইয়ের আওয়াজ। বাড়ির বারান্দায় সবেমাত্র নিমন্ত্রিত অতিথিদের খেতে দেওয়া হয়েছে। আচমকাই উচ্ছ্বাসের আবহের তাল কাটল। ঘরের ভিতর থেকে শোনা গেল বুক ফাটা কান্নার আওয়াজ। ততক্ষণে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বর। বিয়ের পোশাক তখন তার পরনে। কিন্তু কেন এমন পরিণতি? বিহারের গয়ার এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে মর্মান্তিক কাহিনী। যাতে ফের বিপন্ন সমাজব্যবস্থার চেহারাটাকেও।

আত্মঘাতী কিশোরের নাম মহাদেব দাস। নবম শ্রেণির ছাত্র মহাদেব গয়ার ভিনোবানগর গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার সকালে নিজের বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয় সে। তদন্তে নেমে পুলিসের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিস জানতে পারে, মহাদেবকে জোর করে তার থেকে দশ বছরের বড় বিধবা বৌদি রুবি দাসের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিল পরিবার। সেই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি মহাদেব। প্রথমে প্রতিবাদও করেছিল, কিন্তু পরিবার তার কথায় বিশেষ আমল দেয়নি। বিয়ের পর সেদিনই সন্ধ্যায় নিজের ঘরে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয় মহাদেব।

কিন্তু প্রশ্ন কেন দশ বছরের বড় বিধবা বৌদির সঙ্গে পনেরো বছরের ছেলের বিয়ে দেওয়া হল?

এর নেপথ্যেও উঠে এসেছে মর্মান্তিক ঘটনা। মহাদেবের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে মহাদেবের বড় দাদার মৃত্যু হয়। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় ইলেকট্রিসিয়ান ছিলেন। মৃত্যুর পর ওই কোম্পানির তরফ থেকে পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

মহাদেবের বাবা চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, ওই ৮০ হাজার টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে রয়েছে। কিন্তু তার বৌম রুবির পরিবার ওই ৮০ হাজার টাকা চেয়ে হুমকি দিতে থাকে। এক দফায় ২৭ হাজার টাকা রুবির অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয় বলেও দাবি চন্দ্রশেখরের। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। রুবির বাড়ি থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, হয় ৮০ হাজার টাকার রুবির অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হোক, অথবা মহাদেবের সঙ্গে রুবির বিয়ে দেওয়া হোক। ৮০ হাজার টাকার জন্য মহাদেবের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় রুবির। চাইল্ড ম্যারেজ অ্যাক্টের ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

-এবেলা

আরো পড়ুন

জানলে আপনিই লজ্জা পাবেন ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here